Verão de 2004. O jovem campeão Mourinho assume o comando do Stamford Bridge e constrói um Chelsea de ferro. O professor Wenger lidera o Arsenal rumo ao título invicto, atingindo o auge da história do
গোল, গোল, গোল... ওলে, ওলে, ওলে...
আঠানব্বই সালের বিশ্বকাপ, ফ্রান্সের গ্রীষ্মের রাত। চার বছর অন্তর আসা ফুটবলের এই মহোৎসব এখন শেষ পর্যায়ে। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে থাকা সাম্বা বাহিনী ব্রাজিল এবং আয়োজক দেশ ফ্রান্সের গাউলিক রুস্টাররা মুখোমুখি হয়েছে এক চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
চীনের তিয়ানহাই শহর। পাঁচতলা বিশিষ্ট আবাসিক ভবনের একদম উপরের তলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাট। সাদামাটা বসার ঘরে ব্রাজিলীয় হলুদ জার্সি পরা তিন সদস্যের পরিবারটি যেন প্রাণহীন মূর্তির মতো পুরনো সোফায় বসে আছে। টেলিভিশনে ফ্রান্সের সমর্থকরা শিরোপা জয়ের আনন্দে মাতোয়ারা। মাত্র আঠারো বছর বয়সী শেন হাও টেলিভিশনের পর্দায় একাকী, বিষণ্ণ ‘এলিয়েন’ রোনালদোর দিকে তাকিয়ে রইল। তার মনে এক অব্যক্ত বিষাদ দানা বেঁধেছে। বাবা শেন কুওচিয়াং এবং মা লি ফেন দুপাশ থেকে তার কাঁধে ও হাতে হাত রেখে সান্ত্বনা দিলেন।
শেন কুওচিয়াং বললেন, “হার-জিত খেলার অংশ। রোনালদো এখনো তরুণ, চার বছর পর সে নিশ্চয়ই ব্রাজিলকে শিরোপা জেতাবে।” কথা শেষ করেই তিনি তার ব্রাজিলীয় জার্সিটি খোলার প্রস্তুতি নিলেন।
মা লি ফেন সান্ত্বনার সুরে বললেন, “বাবা, এবার ঘুমাতে যাও, কাল আবার তোমার অনুশীলন আছে।”
একশো বিরাশি সেন্টিমিটার উচ্চতা, সুঠাম দেহ আর সুদর্শন শেন হাওয়ের কাছে ব্রাজিল জিততেই হবে এমন জেদ ছিল না, তবে সে শুরু থেকেই ব্রাজিলকে সমর্থন করে আসছিল। রোনালদোর পারফরম্যান্স ছিল যেন স্বয়ং ঈশ্বরের আশীর্বাদ—যা কিছু সামনে এসেছে, তা-ই সে চূর্ণ করেছে। অথচ ফাইনালের দিন তার সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী ফর্ম রহস্যজনকভাবে অদৃশ্য হয়ে গেল, উল্টো জিনেদিন জিদান হয়ে উঠলেন নতুন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বীর।
শেন হাও এক দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওঠার উপক্রম করতেই মাথার ওপর তীব্র আলোর ঝলকানি অনুভব করল। উপরে তাকিয়ে সে স্তব্ধ হয়ে গেল। কোথা থেকে যেন তিনটি আলোর গোলক এসে তার সামনে ভাসছে।